প্রাণীতে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে সতর্কতা: প্রত্যাহারকাল না মানলে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

কালবার্তা নিউজ
news image
কালবার্তা নিউজ
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে প্রাণিসম্পদ খাতে অ্যান্টিবায়োটিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ খাদ্য নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ। সংস্থাটি জানিয়েছে, প্রাণীর চিকিৎসায় ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিকের অবশিষ্টাংশ (residue) মাংস, দুধ ও ডিমের মাধ্যমে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

🔍 কী হচ্ছে আসলে?

গবাদিপশু, পোলট্রি ও অন্যান্য প্রাণীর রোগ নিরাময়ে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়। তবে চিকিৎসার পর নির্দিষ্ট একটি সময় পর্যন্ত এসব ওষুধের রাসায়নিক উপাদান প্রাণীর শরীরে থেকে যায়। এই সময়কালকে বলা হয় “প্রত্যাহারকাল” (Withdrawal Period)।

⚠️ কী ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়?
📊 কেন বাড়ছে এই ঝুঁকি?
  • ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ ব্যবহার
  • ডোজ ও সময়কাল না মানা
  • প্রত্যাহারকাল উপেক্ষা করা
📢 সতর্কবার্তা:
অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগের পর নির্ধারিত সময় শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রাণীর পণ্য খাওয়া বা বিক্রি করা উচিত নয়।
🧑‍🌾 করণীয়
  • ভেটেরিনারি চিকিৎসকের পরামর্শ নিন
  • সঠিক ডোজ মেনে চলুন
  • প্রত্যাহারকাল শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিক্রি করবেন না
  • পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন
🛒 ভোক্তাদের জন্য
  • বিশ্বস্ত জায়গা থেকে কিনুন
  • সন্দেহজনক খাবার এড়িয়ে চলুন
  • নিরাপদ খাদ্য বেছে নিন